বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ৩, ২০২৫
বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ৩, ২০২৫

সরিষাবাড়ীতে ভাসমান নৌকায় পাটের কেনাবেচা

পাট, সরিষা আর গরুর গাড়ী নিয়েই সরিষাবাড়ী। তবে বর্তমানে গরুর গাড়ীর প্রচলন নেই বললেই চলে। কালের বিবর্তনে তা হারিয়ে যেতে বসেছে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী গরুর গাড়ী। ভাটা পড়েছে পাট চাষেও কিছুটা।

তবুও ৮টি ইউনিয়ন আর একটি পৌরসভায় বিভিন্ন স্থানে কম বেশি পাটের চাষ করা হয়ে থাকে। বর্তমানে চারিদিকে পানিতে থৈ থৈ করছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ী উপজেলার ঝিনাই নদীতে ভাসমান নৌকায় পাটের কেনাবেচা হচ্ছে।

পাটের পর্যাপ্ত সরবরাহ ও অধিক মুনাফাপ্রাপ্তি এবং নদী বেষ্টিত হওয়ায় নদীপথে মালামাল বহন করা সহজ। তাই উপজেলাবাসী ও দূরের ব্যবসায়ীদের কাছে এ হাটটির ব্যাপক গুরুত্ব বেড়েছে।

সরিষাবাড়ী উপজেলার আরামনগর হাট প্রতি সপ্তাহে সোমবার ও বৃহস্পতিবার কেএইচবি ফাইবার সংলগ্ন সরিষাবাড়ী-তারাকান্দি মহাসড়কে বসে।

স্থানীয় পাট ব্যবসায়ী ছাড়াও বগুড়া, রংপুর, কুড়িগ্রাম ও সিরাজগঞ্জ জেলার পূর্ব-উত্তরা এবং আরও দূর-দূরান্তর থেকে নৌযানে যে সকল ব্যবসায়ীরা পাট নিয়ে যমুনা নদী দিয়ে ঝিনাই নদীর ঝালুপাড়া ঘাটে আসেন।

সেখান থেকে আরামনগর বাজারে পাট নিয়ে পৌঁছতে আরও অতিরিক্ত ৬শ থেকে ৮শ টাকা গুণতে হয়। এতে লাভের অংশটুকু কমে আসে। তাই যে সকল ব্যবসায়ীরা যমুনা নদী দিয়ে নদীপথে পাট নিয়ে আসেন তারা। ঝিনাই নদীর ঝালুপাড়া ঘাটে নৌকার ওপরেই ক্রয়-বিক্রয় করেন।

ব্যবসায়ীরা জানান, চর জামিরা, ছেন্নার চর, আদ্রাসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে নৌকা যোগে পাট আসে। তবে বর্তমানে পাট অনেক কমে গেছে।

পিংনা ইউনিয়ন থেকে পাট ক্রয় করতে আসা ব্যবসায়ী খন্দকার রেজাউল করিম বলেন, প্রতি সোমবার ও বৃহস্পতিবার নৌকার মধ্যে পাট ক্রয় বিক্রয় হয়ে থাকে।

পাট ক্রয় করে নৌকা যোগে নেয়া অনেক সুবিধা তাই দুরে হলেও সমস্যা হয় না। সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত এখানে পাট ক্রয়-বিক্রয় চলে।

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *