বাংলাদেশ-ভারত বিমান চলাচল শুরু
প্রায় পাঁচ মাস বন্ধ থাকার পর রবিবার (৫ সেপ্টেম্বর) থেকে এয়ার বাবল চুক্তির আওতায় চালু হলো বাংলাদেশ-ভারত বিমান চলাচল। ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের চেন্নাই ফ্লাইট যাত্রার মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলো এ যোগাযোগ।
সকাল সাড়ে ১০টায় চেন্নাইয়ের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের বিএস-২০৫ ফ্লাইটটি। কথা রয়েছে আজ ঢাকা থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট কলকাতা এবং ইন্ডিগো এয়ারের একটি ফ্লাইট কলকাতা থেকে ঢাকায় আসবে। তিনটি ফ্লাইট ফিরতি যাত্রী বহন করে আজই নিজ নিজ দেশে ফিরবে বলে জানা যায়।
ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের মহাব্যবস্থাপক-জনসংযোগ (জিএম-পিআর) মো. কামরুল ইসলাম জানান, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটটি মোট ১৩৫ জন যাত্রী নিয়ে চেন্নাই যাচ্ছে। এর মাধ্যমে দীর্ঘদিন পর ভারতে ফ্লাইট চলাচল শুরু হলো।
শনিবার (৪ সেপ্টেম্বর) স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে ফ্লাইট চালুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন বেসামরিক বিমান পরিবহনের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল এম. মাফিদুর রহমান। এ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ভ্রমণের ৭২ ঘণ্টা আগে সব ধরনের যাত্রীকে সরকারি কেন্দ্র থেকে করোনা পরীক্ষা সম্পন্ন করতে হবে। দুই দেশের নিয়ম অনুসারে যাত্রীরা কোয়ারেন্টাইনে থাকবেন।
গত বছরের অক্টোবরে করোনা মহামারির মধ্যে ভারতের সঙ্গে ‘এয়ার বাবল’ চুক্তির আওতায় বিমান চলাচল শুরু হয়েছিল। কিন্তু ভারতে করোনা পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করলে চলতি বছরের এপ্রিলে বিমান চলাচল বন্ধ হয়। দুই দেশের করোনা পরিস্থিতির উন্নতি হলে ৪ সেপ্টেম্বর ভারতীয় কর্তৃপক্ষকে চিঠি দেয় বেবিচক।
গত ২৮ আগস্ট বেবিচককে ভারতের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের এক চিঠিতে ৩ সেপ্টেম্বর থেকে এয়ার বাবল চুক্তির আওতায় ফ্লাইট শুরুর প্রস্তাব দেওয়া হয়। তবে প্রস্তুতি না থাকায় সেদিন বাংলাদেশ বিমান চলাচল শুরু করতে পারেনি। গত ২ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ আবারো দেশটিকে চিঠি পাঠায়।
অবশেষে প্রায় পাঁচ মাস বন্ধ থাকার পর ভারতের সঙ্গে আকাশপথে বিমান চলাচলের শুরু হলো।