সংবাদ শিরোনাম

 

 

অন্যতম শীতকালীন সবজি সিম বিক্রি করে লাখ লাখ টাকা আয় করছেন টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার কৃষকরা।
সেখানে এখন বানিজ্যিকভাবে গড়ে উঠেছে সিমের বাগান। এ অঞ্চলের কৃষকরা চলতি মৌসুমে সিম বিক্রি করে লাখ লাখ টাকা আয় করছেন। এতে করে দূর হচ্ছে এ অঞ্চলের দারিদ্রতা।

টাঙ্গাইলের সব উপজেলাতেই শীতকালীন সবজি সিমের চাষ হয়। তবে ঘাটাইল উপজেলার পাহাড়ী ও সমতল অঞ্চলে শুরু হয়েছে সিমের বানিজ্যিক চাষ। এ অঞ্চলে চলতি শীতকালীন মৌসুমে সিমের ফলন ভালো হয়েছে। এতে করে কৃষকদের মুখে হাসি ফুটেছে। উপজেলার প্রায় প্রতিটি গ্রামেই চোখে পরে একাধিক সিম বাগান। স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, কয়েক বছর আগেও এ অঞ্চলে সিমের চাষ খুব একটা হতোনা। এ অঞ্চলের মাটি ও আবহাওয়া সিম চাষের উপযোগী হওয়ায় এখন সিমের চাষ বেড়েছে। প্রতিবছরই উৎপাদিত সিম বিক্রি করে লাভবান হচ্ছে কৃষকরা।

স্বল্প খরচ ও অল্প পরিশ্রমে অধিক লাভবান হওয়ায় এ অঞ্চলের শিক্ষিত বেকার যুবকরাও এখন ঝুঁকে পড়েছেন সিম চাষে। এতে করে দরিদ্র কৃষক পরিবারগুলো আর্থিকভাবে সচ্ছল হচ্ছেন।

সিম চাষী ও পাইকাররা জানায়, এ অঞ্চলে উৎপাদিত সিমের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে বাজারে। পাইকাররা বাগান থেকে কৃষকদের কাছ থেকে সিম কিনে নিয়ে রাজধানী ঢাকা ও নারায়নগঞ্জের বিভিন্ন বাজারে সরবরাহ করছেন। সরকারী সহযোগিতা আরো বাড়ানো গেলে, সুষ্ঠ বাজার ব্যবস্থাপনা ও ১২ মাস চাষ যোগ্য সিমের জাত উৎভাবন করা গেলে এ অঞ্চলে সারা বছরই সিম চাষ করা যাবে বলে মনে করেন কৃষকরা।

এ বিষয়ে ঘাটাইল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা দিলশাদ জাহান জানান, এ অঞ্চলে স্থানীয় জাতের পাশাপাশী উচ্চ ফলনশীল বারি ১, বারি ২, ইফশা ১, ইফশা ২ জাতের সিম চাষ হচ্ছে। উপজেলায় এ বছর ১৪৫ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন জাতের সিমের চাষ হয়েছে। কৃষি বিভাগ থেকে কৃষকদের সার্বক্ষনিক সহযোগিতাও করা হচ্ছে।

 


মতামত জানান :

 
 
 
কপিরাইট © ময়মনসিংহ প্রতিদিন ডটকম - সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | উন্নয়নে হোস্টপিও.কম