সংবাদ শিরোনাম

 

দেশে বিভিন্ন নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। ইতোমধ্যে আট জেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। উজানে ভারী বৃষ্টিতে পাঁচ নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এ অবস্থায় দেশের উত্তর ও মধ্যাঞ্চলের চলমান বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে।

রবিবার (২০ আগস্ট) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র এক প্রতিবেদনে বন্যা পরিস্থিতি অবনতির শঙ্কার কথা জানায়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ব্রহ্মপুত্র-যমুনা ও পদ্মা নদীর পানি বাড়ছে। আগামী ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত তা অব্যাহত থাকতে পারে। ২৪ ঘণ্টায় দেশের উত্তরাঞ্চলের কুড়িগ্রাম ও মধ্যাঞ্চলের সিরাজগঞ্জ, পাবনা, কুষ্টিয়া, মানিকগঞ্জ, রাজবাড়ী, ফরিদপুর এবং শরীয়তপুরের বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে। এছাড়া আগামী ২৪ ঘণ্টায় যমুনা নদী সিরাজগঞ্জ পয়েন্টে ও ধলেশ্বরী নদী এলাসিন পয়েন্টে বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) পরবর্তী দশদিনের মধ্যমেয়াদী বন্যা পূর্বাভাসে জানায়, ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদীর পানি সমতল বৃদ্ধি অব্যাহত থাকতে পারে। আগামী ২৭ আগস্টের মধ্যে জামালপুর জেলার বাহাদুরাবাদ স্টেশন, বগুড়া জেলার সারিয়াকান্দি স্টেশন, সিরাজগঞ্জ জেলার কাজীপুর স্টেশনে পানি সমতল বিপৎসীমার কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে। মানিকগঞ্জের আরিচা স্টেশন, সিরাজগঞ্জের সিরাজগঞ্জ স্টেশন এবং টাঙ্গাইলের এলাসিন ঘাট স্টেশনেও পানির সমতল বিপৎসীমার কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে। ইতোমধ্যে ওইসব স্থানের কোথাও কোথাও পানির সমতল বিপৎসীমা ছাড়িয়ে গেছে।

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আরিফুজ্জামান জানিয়েছেন, বর্তমানে ৫টি নদীর পানি ৮ স্থানে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এরমধ্যে ধরলার পানি কুড়িগ্রামে বিপৎসীমার ৭ সেন্টিমিটার, সিরাজগঞ্জের কাজিপুরে যমুনার পানি ১ সেন্টিমিটার, পাবনার মথুরায় ১২ সেন্টিমিটার, মুন্সিগঞ্জের আরিচায় ২ সেন্টিমিটার, আত্রাইয়ের পানি সিরাজগঞ্জের বাঘাবাড়িতে ৯ সেন্টিমিটার, পদ্মার পানি রাজবাড়ির গোয়ালন্দে ৪৯ সেন্টিমিটার ও শরীয়তপুরের সুরেশ্বরে ৮ সেন্টিমিটার এবং গড়াই নদীর পানি কুষ্টিয়ার কামারখালি স্টেশনে ১৯ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।


মতামত জানান :

 
 
 
কপিরাইট © ময়মনসিংহ প্রতিদিন ডটকম - সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | উন্নয়নে হোস্টপিও.কম