সংবাদ শিরোনাম

 

আগামী ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এ উপলক্ষে সেদিন রোববার সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।

ফলে শুক্র ও শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটির সঙ্গে রোববার মিলিয়ে টানা তিন দিনের ছুটি পাচ্ছেন চাকরিজীবীরা। নির্বাচনে ভোট দিতে এবং এই ছুটি কাটাতে ঢাকা ছাড়ছেন মানুষ। গত বৃহস্পতিবার (৪ জানুয়ারি) বিকেল থেকেই ঢাকার লোকজনকে গ্রাম অভিমুখে রওয়ানা দিতে দেখা গেছে। শুক্রবার (৫ জানুয়ারি) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্তও মানুষকে বাড়ি ফিরতে দেখা গেছে।
তবে বাড়ি ফেরার এ যাত্রায় ভিড় কম বলছেন সাধারণ যাত্রী ও পরিবহন সংশ্লিষ্টরা। তারা বলছেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে অনেকে ছুটি পাননি। বিশেষ করে পোশাক শ্রমিকরা ছুটি পাননি। সেজন্য গত ২০১৮ সালের নির্বাচনের তুলনায় এবার খুব কম মানুষ বাড়ি ফিরছে।

 

শুক্রবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত গাবতলী আন্তঃজেলা বাস টার্মিনাল এলাকা ঘুরে দেখা যায়, পরিবহনগুলো যাত্রী নিয়ে গন্তব্যে ছুটে যাচ্ছে। যাত্রীরা কাউন্টারে গিয়ে নিজেদের গন্তব্যের টিকিট কাটছেন।

সকালে গাবতলী থেকে বাসযোগে পাবনা যাচ্ছিলেন মো. রিপন। তিনি একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা। রিপন জানান, শুধু ভোট দিতে নয়, পরিবারে বাবা-মা, ভাই-বোনদের টানে বছরের প্রথমে বাড়ি যাচ্ছি। একইসঙ্গে ভোটটাও দিয়ে আসব।

মো. জাকির মিরপুর ১২ নম্বর এলাকার বাসিন্দা। তিনিও বাড়ি যাচ্ছেন ভোট দিতে। দুপুরে বাংলানিউজের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, আমার গ্রামের বাড়ি মানিকগঞ্জের বেথিলা। নির্বাচনের একদিন আগেই বাড়ি যাচ্ছি। নির্বাচন উপলক্ষে অনেক আত্মীয়-স্বজন গ্রামে আসবেন। অনেকদিন পর তাদের সঙ্গে দেখা হবে কথা হবে। এটাই অনেক ভালো লাগবে।

 

তিনি বলেন, এবারের নির্বাচনে বড় একটি দল অংশ নিচ্ছে না। এতে করে নির্বাচনে তেমন প্রভাব পড়বে না। যারা এবারে নির্বাচনে এলো না তারা তাদের সুযোগ হারালো। দেশের মানুষ উন্নয়ন চায়। দেশে অস্থিরতা বা সহিংসতা চায় না। সাধারণ জনগণ স্বস্তিতে ও নিশ্চিন্তে থাকতে চায়।

গাবতলী এলাকার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মো. জসিম বলেন, এবার গার্মেন্টসগুলোতে ছুটি দেয়নি নির্বাচন উপলক্ষে। ছুটি দিলে অনেক পোশাক শ্রমিক ভোট দিতে বাড়ি যেত।

 

গাবতলীর হানিফ এন্টারপ্রাইজের কাউন্টার মাস্টার মো. লালন হাওলাদার বলেন, গতকাল (বৃহস্পতিবার) রাতে অনেক মানুষ বাড়ি গেছেন। এবারের নির্বাচনে ছুটি একদিন হওয়ায় অনেক মানুষ এখনো বাড়ি যায়নি। ছুটি বেশি হলে মানুষ বাড়ি যেত বেশি। দক্ষিণ অঞ্চলের মানুষ ভালোই বাড়ি গেছে। আমাদের বিশেষ কোনো গাড়ির ব্যবস্থা করা হয়নি। প্রতিদিনের রুটিন অনুযায়ী গাড়ি যাচ্ছে।

 


মতামত জানান :

 
 
 
কপিরাইট © ময়মনসিংহ প্রতিদিন ডটকম - সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | উন্নয়নে হোস্টপিও.কম