সংবাদ শিরোনাম

 

জামালপুরের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। তবে খুব ধীরগতিতে পানি কিছুটা কমলেও দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন বন্যাদুর্গতরা। এখনও বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে যমুনা নদীর পানি। রয়েছে খাবার ও সুপেয় পানির সংকট।

জামালপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম জানান, সোমবার (৮ জুলাই) সকাল ১০টায় দেওয়ানগঞ্জের বাহাদুরাবাদ ঘাট পয়েন্টে যমুনা নদীর পানি গত ২৪ ঘণ্টায় ৯ সেন্টিমিটার কমে বিপদসীমার ৭৮ সেন্টিমিটার ও সরিষাবাড়ীর জগন্নাথগঞ্জ ঘাট পয়েন্টে ৫ সেন্টিমিটার কমে বিপদসীমার ১১৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, খুব ধীরগতিতে পানি কিছুটা কমলেও মানুষের দুর্ভোগ কমেনি। দেওয়ানগঞ্জ, বকশীগঞ্জ, ইসলামপুর, মেলান্দহ, মাদারগঞ্জ ও সরিষাবাড়ী উপজেলার ৫০টি ইউনিয়নের দুই লাখ মানুষ এখনও পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছেন। বন্যার কারণে তলিয়ে গেছে ৮ হাজার হেক্টর ফসলি জমি। এ ছাড়া ২৫৯টি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ৬৭টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পাঠদান বন্ধ রয়েছে।

জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন বলেন, ‘বন্যাদুর্গতদের জন্য ১১টি আশ্রয়কেন্দ্রে কয়েক হাজার পরিবার আশ্রয় নিয়েছে। বিভিন্ন স্থানীয় ও আঞ্চলিক সড়ক ডুবে যাওয়ায় যাতায়াতে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। দুর্গত এলাকায় খাবার ও সুপেয় পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। দুর্গতদের জন্য ৫০০ মেট্রিক টন চাল, ১০ লাখ টাকা ও সাড়ে ৪ হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।’


মতামত জানান :

 
 
 
কপিরাইট © ময়মনসিংহ প্রতিদিন ডটকম - সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | উন্নয়নে হোস্টপিও.কম