সংবাদ শিরোনাম

 

জামালপুরের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। কমতে শুরু করেছে নদ-নদীর পানি। নতুন করে কিছু এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এখনও বিপদসীমার ওপরে রয়েছে যমুনার পানি। খাবার ও সুপেয় পানির সংকটে ভুগছেন বন্যার্তরা।

জামালপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম জানান, মঙ্গলবার (৯ জুলাই) সকাল ১০টায় দেওয়ানগঞ্জের বাহাদুরাবাদ ঘাট পয়েন্টে যমুনা নদীর পানি গত ২৪ ঘণ্টায় ১৭ সেন্টিমিটার কমে বিপদসীমার ৬১ সেন্টিমিটার ও সরিষাবাড়ীর জগন্নাথগঞ্জ ঘাট পয়েন্টে ১১ সেন্টিমিটার কমে বিপদসীমার ১০৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

তবে পানি কিছুটা কমলেও দুর্গতদের দুর্ভোগ এখনও কমেনি। বিস্তীর্ণ এলাকায় বন্যার পানি ছড়িয়ে পড়ায় অনেক এলাকা নতুন করে প্লাবিত হচ্ছে। দেওয়ানগঞ্জ, বকশীগঞ্জ, ইসলামপুর, মেলান্দহ, মাদারগঞ্জ ও সরিষাবাড়ী উপজেলার ৫০টি ইউনিয়নের প্রায় তিন লাখ মানুষ এখনও পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছেন। বন্ধ রয়েছে ১৯টি কমিউনিটি ক্লিনিক, ২৫৯টি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ৮৮টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পাঠদান।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক জাকিয়া সুলতানা জানান, বন্যার কারণে তলিয়ে গেছে ৮ হাজার হেক্টর ফসলি জমি। এসব ফসলের মধ্যে রয়েছে আউশ, রোপা-আমন বীজতলা, পাট, মরিচ, ভুট্টা, তিল ও নানা ধরনের শাকসবজি।

জেলার ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন বলেন, ‘১৫টি আশ্রয়কেন্দ্রে জেলার কয়েক হাজার পরিবার আশ্রয় নিয়েছে। বিভিন্ন স্থানীয় ও আঞ্চলিক সড়ক ডুবে যাওয়ায় যাতায়াতে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। দুর্গত এলাকায় খাবার ও সুপেয় পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। দুর্গতদের জন্য ১ হাজার ১০০ মেট্রিক টন চাল, ২২ লাখ টাকা ও সাড়ে ৪ হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।’


মতামত জানান :

 
 
 
কপিরাইট © ময়মনসিংহ প্রতিদিন ডটকম - সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | উন্নয়নে হোস্টপিও.কম