সংবাদ শিরোনাম

 

সরকারি ও বেসরকারি মেডিকেল কলেজগুলোতে ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ শুক্রবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়ে পরীক্ষা চলে বেলা ১১টা পর্যন্ত। দেশের ১৯টি কেন্দ্রের ৪৪টি ভেন্যুতে এক ঘণ্টাব্যাপী একযোগে অনুষ্ঠিত হয় এ পরীক্ষা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবন পরীক্ষাকেন্দ্রে সরেজমিন দেখা গেছে, ঠিক ১১টা ৫ মিনিট থেকেই পরীক্ষার্থীরা হল থেকে বের হতে শুরু করে। এ সময় তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে— অন্যান্য সময়ের তুলনায় এ বছর প্রশ্ন মোটামুটি সহজ হয়েছে। এ কারণে কেউ কেউ আবার ভর্তিতে চ্যালেঞ্জও দেখছেন।

জানা গেছে, ৩৭টি সরকারি মেডিকেল কলেজে ৫৩৮০টি আসন এবং বেসরকারি পর্যায়ে অনুমোদিত ৬৭টি মেডিকেল কলেজে মোট ৬২৯৫টি আসনের বিপরীতে এই ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সব মিলিয়ে ১০৪টি মেডিকেল কলেজের ১১ হাজার ৬৭৫টি আসনের জন্য এবার ১ লাখ ৪ হাজার ৩৭৪ জন ভর্তিচ্ছু আবেদন করেছিলেন বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর।

ভর্তি পরীক্ষায় যত নম্বর
লিখিত ভর্তি পরীক্ষায় ১০০টি প্রশ্নের প্রতিটি ১ নম্বর করে মোট (এইচএসসি বা সমমান সিলেবাস অনুযায়ী) ১০০ নম্বরের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিষয়ভিত্তিক বিভাজন- পদার্থবিদ্যা ২০, রসায়নবিদ্যা ২৫, জীববিজ্ঞান ৩০, ইংরেজি ১৫ ও সাধারণ জ্ঞান (বাংলাদেশের ইতিহাস ও মুক্তিযুদ্ধ) নিয়ে ১০টি প্রশ্ন ছিল।

লিখিত পরীক্ষার প্রতিটি ভুল উত্তর প্রদানের জন্য শূন্য দশমিক ২৫ নম্বর কাটা যাবে। লিখিত পরীক্ষায় ৪০ নম্বরের কম পেলে অকৃতকার্য হিসেবে বিবেচনা করা হবে। ভর্তি পরীক্ষায় ৪০ নম্বরের কম পেলে কোনো শিক্ষার্থী ভর্তির যোগ্য বিবেচিত হবেন না।

এমবিবিএস ও বিডিএসে পাস নম্বর ৪০
এমবিবিএস ও বিডিএস ভর্তি পরীক্ষায় ন্যূনতম নম্বর (পাস নম্বর) গতবারের মতো এবারও ৪০ রাখা হয়েছে। মাইগ্রেশনের সময় তিনবার পাবেন শিক্ষার্থীরা। বেসরকারি মেডিকেলে ভর্তির জন্য সব কলেজকে উন্মুক্ত রাখা হয়েছে। অর্থাৎ শিক্ষার্থীরা সব কলেজে চয়েজ একবারে দিতে পারবেন, সরকারি মেডিকেল কলেজগুলোতেও একই নিয়ম বহাল আছে।

 


মতামত জানান :

 
 
 
কপিরাইট © ময়মনসিংহ প্রতিদিন ডটকম - সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | উন্নয়নে হোস্টপিও.কম